বহুস্মৃতি বিজড়িত ক্যানেল পারের স্যাঁকো।
কালের ছোবলে এখন জরাগ্রস্ত ।একসময় সুন্দর সবল ছিল এই সাঁকো।এখন বার্ধক্যে এসে কোন রকমে গরুর গাড়ির ভার বহন করে।মনে হয় ভেঙে না পড়া পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে না।ক্যানেল অফিসের অবস্থা আরো শোচনীয় ।ছোটো বেলায় দেখেছি কি সুন্দর ছিম-ছাম সাজানো গোছানো ক্যনেল অফিস।সংলগ্ন বাগান ভর্তি নানা ফুল।দেবদারু ও আরও নানা রকম গাছ গাছালি।আলো-আধাঁরি পরিবেশ।সন্ধ্যায়
নানা ধরণের পাখীর কিচির মিচির। সরস্বতী পূজোর ভোরে ক্যানেল অফিসের দারোয়ানকে ফাঁকি দিয়ে ফুল চুরি ও দেবদারু গাছের শাখা-পল্লব চুরি করা আমাদের কাছে এক বিশাল রোমাঞ্চকর বিষয় ছিল।অনেকটা রাজ্য জয় করার মতো।আমরা ভাবতাম দারোয়ান দেখেনি।আসলে সে দেখেও না দেখার ভান করত।
অফিসের দক্ষিণ পশ্চিমে ছিল ওভারসিয়ার বাংলো।তার এক ধারে ষ্টাফেদের থাকার জায়গা ।লক গেট মেনটেনেন্স ও ক্যানেলের দেখভাল করতেন এনারা।চারিদিক কলকাকলী আর প্রাণ প্রচুর্যে ভরপুর ছিল।
ক্যানেল অফিসার সামনের মেঠো রাস্তা।রাস্তাটা পূব দিকে গিয়ে যেখানে দু ভাগ হয়েছে ঠিক তার উল্টোদিকে ফুলদানির মতো দেখতে বিশাল পেকুর( অশ্বত্থ ')গাছদানি'টার ঠিক নীচে মা রক্ষা কালীর বেদি।সম্ববৎসর ধরে বেদিটাকে যেন ঝড় বৃষ্টির হাত থেকে আগলে রাখে। ক্যানেলের অফিসের ঠিক উল্টোদিক রাস্তার ওপর পারে ঠাকরাণ পুখুর।রাস্তাটা পশ্চিমদিকে ক্যানেল অফিস আর ঠাকরাণ পুখুরের মাঝে দিয়ে চলে গেছে পাশের গ্রাম বোনতা।
ঠাকরাণের পূব পারে একফালি ডাঙা।তার পাশ দিয়ে উত্তর -দক্ষিণ বার বর চলে গেছে ক্যানেল থেকে বেরিয়ে আসা সেচ খাল।
আজকাল গ্রামে গেলে আমরা এই ভোল্লা-শিবপুর ক্যানেলের পার দিয়ে গ্রামে যায়।এই রাস্তাটার আসল নাম ছিল ধরমবীরা রোড ।সেই কোন একসময় পশ্চিমবঙ্গের তদানীন্তন রাজ্যপাল লাল মাটির মোরামের এই রাস্তার উদ্বোধন করেছিলেন।সম্প্রতি পাকা হয়েছে।
সংস্কারের অভাবে ক্যানেল এখন অনেকটা মজে গেছে।নেই ক্যানেল পারের পার দিয়ে সার বাঁধা বাবলা গাছের সারি।জবর দখল হয়ে চলেছে ক্যানেলের পার।বাড়ি -দোকানের দখল দারি ক্রমশ স্থান নিয়েছে বাবলা গাছের জায়গায় ।
ক্যানেলটা আমাদের গ্রাম ছাড়িয়ে একটু দূরে দক্ষিণ দিকে ।ময়ূরাক্ষী জল ছাড়লে ক্যানেল দুই পার কানায় কানায় উপচে পড়তো।আমরা সাঁকোতে বসে হাট করে তাকিয়ে থাকতাম সেই জলের দিকে।ছোটো জাল বা ছিপ নিয়ে বসে যেত আশেপাশের গ্রামের লোকজন।
একসময় আমরা খুড়তুতো মামাতো ভাই বোনেরা মিলে বৈকালে এখানে দলবদ্ধ ভাবে বেড়াতে আসতাম। সে বড় স্বপ্ন মধুর আনন্দের দিন ছিল।
কালের ছোবলে এখন জরাগ্রস্ত ।একসময় সুন্দর সবল ছিল এই সাঁকো।এখন বার্ধক্যে এসে কোন রকমে গরুর গাড়ির ভার বহন করে।মনে হয় ভেঙে না পড়া পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে না।ক্যানেল অফিসের অবস্থা আরো শোচনীয় ।ছোটো বেলায় দেখেছি কি সুন্দর ছিম-ছাম সাজানো গোছানো ক্যনেল অফিস।সংলগ্ন বাগান ভর্তি নানা ফুল।দেবদারু ও আরও নানা রকম গাছ গাছালি।আলো-আধাঁরি পরিবেশ।সন্ধ্যায়
নানা ধরণের পাখীর কিচির মিচির। সরস্বতী পূজোর ভোরে ক্যানেল অফিসের দারোয়ানকে ফাঁকি দিয়ে ফুল চুরি ও দেবদারু গাছের শাখা-পল্লব চুরি করা আমাদের কাছে এক বিশাল রোমাঞ্চকর বিষয় ছিল।অনেকটা রাজ্য জয় করার মতো।আমরা ভাবতাম দারোয়ান দেখেনি।আসলে সে দেখেও না দেখার ভান করত।
অফিসের দক্ষিণ পশ্চিমে ছিল ওভারসিয়ার বাংলো।তার এক ধারে ষ্টাফেদের থাকার জায়গা ।লক গেট মেনটেনেন্স ও ক্যানেলের দেখভাল করতেন এনারা।চারিদিক কলকাকলী আর প্রাণ প্রচুর্যে ভরপুর ছিল।
ক্যানেল অফিসার সামনের মেঠো রাস্তা।রাস্তাটা পূব দিকে গিয়ে যেখানে দু ভাগ হয়েছে ঠিক তার উল্টোদিকে ফুলদানির মতো দেখতে বিশাল পেকুর( অশ্বত্থ ')গাছদানি'টার ঠিক নীচে মা রক্ষা কালীর বেদি।সম্ববৎসর ধরে বেদিটাকে যেন ঝড় বৃষ্টির হাত থেকে আগলে রাখে। ক্যানেলের অফিসের ঠিক উল্টোদিক রাস্তার ওপর পারে ঠাকরাণ পুখুর।রাস্তাটা পশ্চিমদিকে ক্যানেল অফিস আর ঠাকরাণ পুখুরের মাঝে দিয়ে চলে গেছে পাশের গ্রাম বোনতা।
ঠাকরাণের পূব পারে একফালি ডাঙা।তার পাশ দিয়ে উত্তর -দক্ষিণ বার বর চলে গেছে ক্যানেল থেকে বেরিয়ে আসা সেচ খাল।
আজকাল গ্রামে গেলে আমরা এই ভোল্লা-শিবপুর ক্যানেলের পার দিয়ে গ্রামে যায়।এই রাস্তাটার আসল নাম ছিল ধরমবীরা রোড ।সেই কোন একসময় পশ্চিমবঙ্গের তদানীন্তন রাজ্যপাল লাল মাটির মোরামের এই রাস্তার উদ্বোধন করেছিলেন।সম্প্রতি পাকা হয়েছে।
সংস্কারের অভাবে ক্যানেল এখন অনেকটা মজে গেছে।নেই ক্যানেল পারের পার দিয়ে সার বাঁধা বাবলা গাছের সারি।জবর দখল হয়ে চলেছে ক্যানেলের পার।বাড়ি -দোকানের দখল দারি ক্রমশ স্থান নিয়েছে বাবলা গাছের জায়গায় ।
ক্যানেলটা আমাদের গ্রাম ছাড়িয়ে একটু দূরে দক্ষিণ দিকে ।ময়ূরাক্ষী জল ছাড়লে ক্যানেল দুই পার কানায় কানায় উপচে পড়তো।আমরা সাঁকোতে বসে হাট করে তাকিয়ে থাকতাম সেই জলের দিকে।ছোটো জাল বা ছিপ নিয়ে বসে যেত আশেপাশের গ্রামের লোকজন।
একসময় আমরা খুড়তুতো মামাতো ভাই বোনেরা মিলে বৈকালে এখানে দলবদ্ধ ভাবে বেড়াতে আসতাম। সে বড় স্বপ্ন মধুর আনন্দের দিন ছিল।
Comments
Post a Comment