আমরা তখন অনেক ছোটো।ভাসা ভাসা বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত ভাবে ছোটো বেলার ছবি গুলো মানসপটে মাঝে মধ্যে ভেসে ওঠে।
খবরটা কয়েক দিন ধরেই আকাশে বাতাসে রটে গেছে।গ্রামে নাকি স্বামীজিরৃ আসছেন।সেই প্রথম ঐ রকম নাম শুনছি ।একটা ভ্যান গাড়ির ছবি মনে ভাসে।মনে ভাসছে আমাদের জামগাছ তলার নীচে এসে দাঁড়িয়ে ছিল ভ্যানটা।
আমারা ভীষণ উত্তেজিত ও অধর্য্য স্বামীজিদের দেখার জন্য।আমাদের গ্রামে এক সন্ন্যাসি বৈরাগী ছিলেন।তার থেকে একদম আলাদা।বৈরাগীর মাথা ভর্তি চুল ছিল।গেরুয়া পড়তে দেখিনি।এনাদের মাথা ন্যাড়া।পরিধানে গেরুয়া।
স্কুল ঘরের উল্টো দিকে একটা ছোট্ট সামিয়ানা টাঙানো হয়েছিল। ওনারা 'দুব্যা' ঘাসের রুটি বানানো শেখাবেন ও খাওয়াবেন।রাণা প্রতাপের নাম তখনও শুনিনি।ওনারা রুটি বানানোর সময় হয়তো বলেছিলেন মনে নেই।টুকরো ছবি যেটা ভাসে কাঁটাপুখুর বাগানে থেক 'দুব্যা' ঘাসের কচি ডগা তোলা।তুলে এনে নিশ্চয় পরিস্কার করে সেদ্ধ করা হয়েছিল।চোখের সামনে ভাসে শুধু একতাল ঘাস মাখা সবুজ আটা।মনে পড়ে ওনারা চলে যাওয়ার পর ছোটো মামা, ছোটো মাসি ও আমি সকাল সন্ধ্যা ধূপ জ্বালিয়ে সারদা মা, রাম কৃষ্ণ ও বিবেকানেন্দর ছবির সামনে প্রার্থনা সঙ্গীত 'ভব সাগর তারণ কারণ হে...... ' গাইতাম।গ্রামের অনেক বাড়িতেই সকাল সন্ধ্যা রাম কৃষ্ণ বন্দনা শুরু হয় নতুন উদ্যোমে।'ঠাকুরের সঙ্গে
শৈশবের সেই প্রথম পরিচয় আজও অটুট।
মনের বাগানে বিস্মৃত প্রায় স্মৃতির ফুল ফুল গুলো সব এখনে ওখানে গ্রামের অলিতে গলিতে ছাড়িয়ে আছে।স্মৃতি ডোরে গাঁথার চেষ্টা করছি।
খবরটা কয়েক দিন ধরেই আকাশে বাতাসে রটে গেছে।গ্রামে নাকি স্বামীজিরৃ আসছেন।সেই প্রথম ঐ রকম নাম শুনছি ।একটা ভ্যান গাড়ির ছবি মনে ভাসে।মনে ভাসছে আমাদের জামগাছ তলার নীচে এসে দাঁড়িয়ে ছিল ভ্যানটা।
আমারা ভীষণ উত্তেজিত ও অধর্য্য স্বামীজিদের দেখার জন্য।আমাদের গ্রামে এক সন্ন্যাসি বৈরাগী ছিলেন।তার থেকে একদম আলাদা।বৈরাগীর মাথা ভর্তি চুল ছিল।গেরুয়া পড়তে দেখিনি।এনাদের মাথা ন্যাড়া।পরিধানে গেরুয়া।
স্কুল ঘরের উল্টো দিকে একটা ছোট্ট সামিয়ানা টাঙানো হয়েছিল। ওনারা 'দুব্যা' ঘাসের রুটি বানানো শেখাবেন ও খাওয়াবেন।রাণা প্রতাপের নাম তখনও শুনিনি।ওনারা রুটি বানানোর সময় হয়তো বলেছিলেন মনে নেই।টুকরো ছবি যেটা ভাসে কাঁটাপুখুর বাগানে থেক 'দুব্যা' ঘাসের কচি ডগা তোলা।তুলে এনে নিশ্চয় পরিস্কার করে সেদ্ধ করা হয়েছিল।চোখের সামনে ভাসে শুধু একতাল ঘাস মাখা সবুজ আটা।মনে পড়ে ওনারা চলে যাওয়ার পর ছোটো মামা, ছোটো মাসি ও আমি সকাল সন্ধ্যা ধূপ জ্বালিয়ে সারদা মা, রাম কৃষ্ণ ও বিবেকানেন্দর ছবির সামনে প্রার্থনা সঙ্গীত 'ভব সাগর তারণ কারণ হে...... ' গাইতাম।গ্রামের অনেক বাড়িতেই সকাল সন্ধ্যা রাম কৃষ্ণ বন্দনা শুরু হয় নতুন উদ্যোমে।'ঠাকুরের সঙ্গে
শৈশবের সেই প্রথম পরিচয় আজও অটুট।
মনের বাগানে বিস্মৃত প্রায় স্মৃতির ফুল ফুল গুলো সব এখনে ওখানে গ্রামের অলিতে গলিতে ছাড়িয়ে আছে।স্মৃতি ডোরে গাঁথার চেষ্টা করছি।
অপূর্ব।।।
ReplyDelete