গ্রামে আমাকে সবাই অপু নামেই ডাকত।মামার বাড়ির দেওয়া নাম।বড় মামা ডাকতো অপা বলে ।কখন কখন ডাকাত বলতেন।ভীষণ বদমাইশ ছিলাম তাই অত সুন্দর নাম।তা সেবার ধান কাটার যসময় মামাতো বোন পাপিয়ার,টিয়া সঙ্গে মামার একটি অতি প্রিয় কুকুর।
গ্রামে ঢোকার তিন রাস্তাতে তিনটি কালী মন্দির।উত্তরে বাবুদের বটতলা কালী।দক্ষিণে গ্রামের রক্ষা কালী।আর পূবে বুড়হ্যা কালীতলা।এখানে কখন মূর্তি হতে দেখিনি।বেদীর পূজো।বছরের বিভিন্ন সময়ে হয়। শতবর্ষ প্রাচীন বিশাল এক অশ্বত্থ গাছের নীচে মায়ের বেদি।অসংখ্য শাখা প্রশাখার কোটরে কত রকম পাখীল বাস।তাদের কিচির মিচির কত রকম আওয়াজে চারদিক কোলাহল মত্ত হয়ে থাকতো।দল বেঁধে টিয়া পাখির দল উড়ে যেতো।হারিয়ে যেতো দূরে নীলাকাশে।
আবার দল বেঁধে ফিরে আসতো।হারিয়ে যেত বিশাল গাছের অসংখ্য কোটরে।
গলায় লাল ডোর দেখলেই আমরা আনন্দে লাফাতাম,হাততালি দিতাম আর বলতাম, "চন্দনা টিয়া, চন্দনা টিয়া"।খুব ইচ্ছে হতো কেউ যদি একটা ধরে এনে দেয়।একদম ডগার দিকে বাস ছিল কিছু ফুট ফুটে সাদা বকের।
চন্দনা টিয়া সোনাকানির ল্যাট পারায় সন্তু দাদুর বাড়িতে একটা ছিল।দিদার সঙ্গে নাড়ু খেতে, বিজয়ার সময়, ঐ বাড়িতে গেলে ঐ পাখিটা কি একটা যেন বেশ বলতো আজ আর মনে নেই।
তা সেই বিশাল বটগাছের পেছনে কালিপুখুর।তারপরে একফালি ডাঙা উত্তর-দক্ষিণ বরাবর।পূব দিকে বোল পুখুর।ডাঙার শেষে একেবারে উত্তরে বিশাল এক জামগাছ।জামের সময় ওটা গ্রামের মামা-দাদা -কাকা সবার আকর্ষণ স্থল ছিল ।
তা একদিকে কালিপুখুর একদিকে বোলপুর মাঝে এক ফালি ডাঙা।ডাঙার একদিকে গরুরগাডীর চাকার 'লি'(দাগ)।
পড়ন্ত বিকালের একটু আগে।লি ধরে গরুর গাড়ি চলছে।নমিতা কাকা নানা রকম আওয়াজ করে গরু ডাকাচ্ছে।গাড়িতে বোঝাই ধান সমেত খড়।সঙ্গে পেছনে পেছনে হাঁটছি গোরাং, বিকাশ, টিয়া, পাপিয়া আর আমি।মামাতো বোনেরা গরুর গাড়ি দেখে ভীষণ রমাঞ্চিত।কিছু একটা নিয়ে প্রচণ্ড কথা কাটাকাটি চলছে।
গোড়াং মাঝে মধ্যে রেগে যাচ্ছে ওদের ইংরেজিতে কথাবার্তা বুঝতে পারছে না বলে।রেগে গিয়ে বলল, 'যা বুলছিস বাংলায় বল কেনে ।তোদের সব প্রশ্নের উত্তর দিব '।
মাঝে মধ্যে কথা বলতো
তার পছনে কলী পুখর।
গ্রামে ঢোকার তিন রাস্তাতে তিনটি কালী মন্দির।উত্তরে বাবুদের বটতলা কালী।দক্ষিণে গ্রামের রক্ষা কালী।আর পূবে বুড়হ্যা কালীতলা।এখানে কখন মূর্তি হতে দেখিনি।বেদীর পূজো।বছরের বিভিন্ন সময়ে হয়। শতবর্ষ প্রাচীন বিশাল এক অশ্বত্থ গাছের নীচে মায়ের বেদি।অসংখ্য শাখা প্রশাখার কোটরে কত রকম পাখীল বাস।তাদের কিচির মিচির কত রকম আওয়াজে চারদিক কোলাহল মত্ত হয়ে থাকতো।দল বেঁধে টিয়া পাখির দল উড়ে যেতো।হারিয়ে যেতো দূরে নীলাকাশে।
আবার দল বেঁধে ফিরে আসতো।হারিয়ে যেত বিশাল গাছের অসংখ্য কোটরে।
গলায় লাল ডোর দেখলেই আমরা আনন্দে লাফাতাম,হাততালি দিতাম আর বলতাম, "চন্দনা টিয়া, চন্দনা টিয়া"।খুব ইচ্ছে হতো কেউ যদি একটা ধরে এনে দেয়।একদম ডগার দিকে বাস ছিল কিছু ফুট ফুটে সাদা বকের।
চন্দনা টিয়া সোনাকানির ল্যাট পারায় সন্তু দাদুর বাড়িতে একটা ছিল।দিদার সঙ্গে নাড়ু খেতে, বিজয়ার সময়, ঐ বাড়িতে গেলে ঐ পাখিটা কি একটা যেন বেশ বলতো আজ আর মনে নেই।
তা সেই বিশাল বটগাছের পেছনে কালিপুখুর।তারপরে একফালি ডাঙা উত্তর-দক্ষিণ বরাবর।পূব দিকে বোল পুখুর।ডাঙার শেষে একেবারে উত্তরে বিশাল এক জামগাছ।জামের সময় ওটা গ্রামের মামা-দাদা -কাকা সবার আকর্ষণ স্থল ছিল ।
তা একদিকে কালিপুখুর একদিকে বোলপুর মাঝে এক ফালি ডাঙা।ডাঙার একদিকে গরুরগাডীর চাকার 'লি'(দাগ)।
পড়ন্ত বিকালের একটু আগে।লি ধরে গরুর গাড়ি চলছে।নমিতা কাকা নানা রকম আওয়াজ করে গরু ডাকাচ্ছে।গাড়িতে বোঝাই ধান সমেত খড়।সঙ্গে পেছনে পেছনে হাঁটছি গোরাং, বিকাশ, টিয়া, পাপিয়া আর আমি।মামাতো বোনেরা গরুর গাড়ি দেখে ভীষণ রমাঞ্চিত।কিছু একটা নিয়ে প্রচণ্ড কথা কাটাকাটি চলছে।
গোড়াং মাঝে মধ্যে রেগে যাচ্ছে ওদের ইংরেজিতে কথাবার্তা বুঝতে পারছে না বলে।রেগে গিয়ে বলল, 'যা বুলছিস বাংলায় বল কেনে ।তোদের সব প্রশ্নের উত্তর দিব '।
মাঝে মধ্যে কথা বলতো
তার পছনে কলী পুখর।
বেলুন ও ফুটে উঠছিল তোমার লেখায় বড়দা.....মামন কে অনেক অনেক ধন্যবাদ এই উদ্যোগ এর জন্য।
ReplyDeleteKhub bhalo legeche.. keep continue
ReplyDelete